পাবনা প্রতিনিধি :
নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার শ্রীকান্তপুর গ্রামে আব্দুল লতিফ এর বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট ও বিএনপির অফিসে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের রাতেই জামায়াতের নেতাকর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছন।
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের আটঘরিয়া উপজেলার শ্রীকান্তপুর এলাকায় নির্বাচনের রাত ১২টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, শ্রীকান্তপুর ভোটকেন্দ্রে জামায়াতে পরাজয়ের জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায়। এসময় আব্দুর লতিফের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্থরা জানান, হামলাকারীরা বাড়িঘরে ঢুকে দরজা-জানালা, আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ির মালিক আব্দুল লতিফ বলেন, ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় জামায়াত-শিবিরের লোকজন আমার বাড়িতে অর্তকিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। আমি এর বিচার চাই।
আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আছিম উদ্দিন বলেন, শুধু বিএনপির সমর্থকদের বাড়িই ভাংচুর ও লুটপাট করেনি তারা বিএনপি অফিসের আসবাবপত্র, জিয়াউর রহমান, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিও ভাংচুর করেছে। দায়ীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবী জানান।
এ বিষয়ে আটঘরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মো: নকিবুল্লার সাথে ফোনে বারবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আটঘরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবসা নেওয়া হবে।









